ইসরায়েলিরা ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের পক্ষে দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছে, যদিও ইরানি প্রতিশোধমূলক হামলায় অনেকেই প্রাণ হারিয়েছে। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’-এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর থেকে ইরানের মিসাইল ও ড্রোন হামলা ইসরায়েল জুড়ে চলছে।
যুদ্ধের পটভূমি
ইরানের হামলায় অন্তত ১১ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছে, যদিও সঠিক পরিসংখ্যান ও আয়রন ডোমের ব্যর্থতা নিয়ে সরকারি সীমাবদ্ধতার কারণে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ পায়নি। ইরান দাবি করেছে তাদের হামলা সামরিক ঘাঁটি, তেল আবিব, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর, হাইফা এবং নেতানিয়াহুর অফিসে নির্ভুলভাবে হেনেছে—যা ইসরায়েলি কর্মকর্তারা ‘মিথ্যা প্রচার’ বলে খারিজ করেছে।
জনগণের সমর্থন
ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের একটি জরিপে দেখা গেছে, ইহুদি ইসরায়েলিদের ৯৩% এবং সামগ্রিকভাবে ৮২% আক্রমণের সমর্থনে। নেতানিয়াহুর সমর্থন ৭৪%-এ উন্নীত হয়েছে, যা বিরল। বিরোধী কণ্ঠস্বর, যেমন অ্যাক্টিভিস্ট জোনাথন গ্রিনবার্গের মতো, হুমকি ও হিংসার শিকার হচ্ছেন।
নেতৃত্বের ভাষণ
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বাইবেলের আমালেকের গল্প উল্লেখ করে ইরানের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ধ্বংসের আহ্বান জানিয়েছেন। সমালোচক ওফের কাসিফ বলেছেন, এটি ইরানি জনগণের জন্য নয়, বরং নেতানিয়াহুর স্বার্থে।
বিস্তৃত প্রেক্ষাপট
যুদ্ধ শুরুর পর জনমনোবল নাটকীয়ভাবে বেড়েছে, যদিও ৫০% নিরাপত্তা চিন্তিত। আরব ইসরায়েলিদের মধ্যে সমর্থন মাত্র ২৬%। ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা এই সংঘাতকে আরও জটিল করেছে।
সূত্র : আল জাজিরা