কুয়েট ও ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
স্বাস্থ্য উন্নয়ন বা হেলথ প্রমোশন একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। যা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে মানুষের ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি পরিবেশ ও প্রকৃতির সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনকে সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। একটি স্বাস্থ্যবান, নিরাপদ ও টেকসই সমাজ গঠনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয় অত্যন্ত জরুরী।
আজ ২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, দুপুর ২:৩০টায় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং (ইউআরপি) বিভাগ এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট এর মধ্যে হেলথ প্রমোশন বিষয়ক একটি “সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর (এমওইউ)” অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।


অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন
কুয়েটের আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের অধ্যাপক ড. তুষার কান্তি রায় এবং ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের স্বাস্থ্য অধিকার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সৈয়দা আনন্যা রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুয়েটের আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোঃ মনজুর মোর্শেদ, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী এবং সিয়ামের নির্বাহী পরিচালক এডভোকেট মাসুম বিল্লাহ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন
ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের কমিউনিকেশন অফিসার শানজিদা আক্তার, সংস্থার প্রকল্প কর্মকর্তা মো: ইমরান মিয়া, কুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের প্রতিনিধিবৃন্দ। এ সময় কুয়েটের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের উপস্থাপনার মাধ্যমে অতিসম্প্রতি ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টে সম্পন্ন করা ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর সম্পন্ন এবং শিক্ষার্থীর মাঝে ইন্টার্নশিপ সনদপত্র বিতরণ করা হয়। উক্ত সমঝোতা স্মারকের আওতায় ভবিষ্যতে হেলথ প্রমোশন, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, নীতিগত সংলাপ এবং কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কুয়েট ও ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট যৌথভাবে কাজ করবে।
আয়োজনে বক্তারা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সংস্থার মধ্যে এ ধরনের অংশীদারিত্ব তরুণদের হেলথ প্রমোশন কার্যক্রমে আরও বেশি সম্পৃক্ত করবে এবং সুস্থ, নিরাপদ ও টেকসই সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। হেলথ প্রমোশন কেবল চিকিৎসা সেবার বিষয় নয়; বরং ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতে সক্ষম করার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এ ধরনের উদ্যোগ স্বাস্থ্যবান বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর অবদান রাখবে।
বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষা, গবেষণা এবং কমিউনিটি কার্যক্রমের সমন্বয়ের মাধ্যমে হেলথ প্রমোশনকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এ সমঝোতা স্মারক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একইসঙ্গে এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।
(তথ্যসূত্র: নাজমুন নাহার, মিডিয়া অফিসার, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট কর্তৃক প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)